আপনি কি জানেন ?

  • কিডনির রোগের লক্ষণ কি ?
    কিডনির রোগের লক্ষণ অনেক প্রকারের হয় আর তা রোগের প্রকার এবং গভীরতার উপর নির্ভর করে. সব থেকে বেশি দেখতে পাওয়া লক্ষণ গুলি হলো মুকমণ্ডল এর ফোলাভাব (বিশেষ করে সকালে), খুদামান্দা, বমিভাব, কম বয়সে উচ্চ রক্তচাপ, দুর্বলতা, মুত্রের পরিমান কমে যাওয়া, মুত্র ত্যাগের সময় জ্বলন বা অসুবিধা, মূত্রে রক্তের উপস্থিতি. ৩ কিডনির রোগের লক্ষণ, Page : 20
  • কাদের কিডনির রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে ?
    যে কোনো মানুষেরই কিডনির রোগ হতে পারে. তথাপি যারা অনেক দিন ধরে উচ্চ রক্ত চাপ বা diabetes এ ভুগছেন বা দীর্ঘ দিন ধরে যন্ত্রনা নিবারক ওষুধের সেবন করে চলেছেন তাদের কিডনির রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে. বংশগত কিডনির রোগ থাকলে বা মুত্র নালীর জন্মগত কোনো সমস্যা থাকলে কিডনির রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে. ৩ কিডনির রোগের লক্ষণ, Page : 2

FAQ - কিডনি ফেলিউরে

  • Acute কিডনি ফেলিউর এবং ক্রনিক কিডনি ফেলিউর এর মধ্যে পার্থক্য কি ?
    Acute কিডনি ফেলিউরএ কিডনির কর্ম ক্ষমতা বিশেষ কারণে অল্প সময়ের জন্য ( কিছু ঘন্টা, দিন বা সপ্তাহ) বন্ধ হয়ে যায় বা কমে যায়. এই ধরনের কিডনি ফেলিউর অল্প সময়ের জন্যই হয় এবং পারে তা পুরোপরি ঠিক হয়ে যায়. কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে(কয়েক মাস বা কয়েক বছর ধরে) ধীরে ধীরে পুরোপুরি ভাবে কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়াকে ক্রনিক কিডনি ফেলিউর বলে. ইহা আরোগ্য অসাধ্য রোগ যেখানে কিডনির কর্মক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরে কমতে কমতে এক সময় পুরোপরি কাজ করতে বন্ধ করে দেয়. এই ঘাতক এবং জীবন নাশক অবস্থা কেই বলা হয় এন্ড ষ্টেজ কিডনি ডিসিজ. ৫ কিডনির রোগ, Page : 1

FAQ - ক্রনিক কিডনি ডিজিজ

  • ক্রনিক কিডনি ডিসিজ কি ?
    ধীরে ধীরে এবং পুরোপুরি ভাবে কিডনির কর্ম ক্ষমতা কমে যাওয়াকে ক্রনিক কিডনি ডিসিজ (CKD) বলে. রক্তে বর্ধিত সিরাম ক্রিয়েটিনিন এর মাত্রা এবং আল্ট্রা সনগ্রাফিতে ছোট বা সংকুচিত কিডনি দেখতে পাওয়া ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর লক্ষণ. ১০ ক্রনিক কিডনি ডিসিজ -কারণ, Page : 2
  • ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর কারণ কি ?
    ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর দুটি প্রধান কারণ হলো উচ্চ রক্তচাপ এবং মধুমেহ রোগ. অন্যান্য মুখ্য কারণগুলি হলো গ্লোমেরুলোনেফ্রিটিস, পলিসিস্টিক কিডনি ডিসিজ, বার্ধ্যকজনিত কারণে কিডনির ক্ষয়, রেনাল আর্টারি স্টেনসিস, মূত্রপথে বাধা, ওষুধ সেবনের ফলে কিডনির ক্ষতি, বার বার কিডনির সংক্রমণ এবং রিফ্লাক্স নেফ্র প্যাথি অন্যতম. ১০ ক্রনিক কিডনি ডিসিজ -কারণ, Page : 11
  • ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর লক্ষণ কি ?
    ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর লক্ষণ রোগের গভীরতার উপরে নির্ভর করে. প্রথম অবস্থায় এই রোগের কোনোও লক্ষণ দেখা যায় না তথাপি প্রাথমিক নিদর্শন গুলি হলো বার বার মুত্রত্যাগের প্রবণতা (বিশেষত রাত্রে), উচ্চ রক্তচাপ, স্বাভাভিক বা একটু বেশি সিরাম ক্রিয়েটিনিন. প্রাথমিক লক্ষণ গুলি হলো ফোলাভাব, ক্ষুদামন্দা, বমিভাব, দুর্বলতা, অত্যাধিক উচ্চ রক্তচাপ এবং ফাকাশে ভাব ইত্যাদি. এন্ড ষ্টেজ কিডনি ফেলিউরএর রোগীদের ক্ষেত্রে রোগের লক্ষণ পরিষ্কার ভাবে দেখা যায়. কিছু রোগীদের রোগের লক্ষণের বর্হি প্রকাশ কিডনি পুরোপুরি খারাপ হবার পারে হয়. ১০ ক্রনিক কিডনি ডিসিজ -কারণ, Page : 11
  • ক্রনিক কিডনি ফেলিউরের নির্ণয় কিভাভে করা হয় ?
    ক্রনিক কিডনি ফেলিউরের নির্ণয়এর তিন টি সহজ পরীক্ষা হলো রক্তচাপের মাপ নেওয়া, মূত্রে এলবুমিনের উপস্থিতির পরীক্ষা এবং রক্তের সিরাম ক্রিয়েটিনিনের পরীক্ষা. কম হিমোগ্লোবিন, রক্তে প্রোটিন এর উপস্থিতি, ক্রিয়েটিনিনের বর্ধিত মাত্রা, রক্তে eGFR এর পরীক্ষা, আল্ট্রা সনগ্রাফিতে ছোট বা সংকুচিত কিডনি দেখতে পাওয়া ইত্যাদি হলো ক্রনিক কিডনি ডিসিজ এর মুখ্য নিদর্শন গুলির মধ্যে অন্যতম. ১০ ক্রনিক কিডনি ডিসিজ -কারণ, Page : 12
  • কিডনি ফেলিউর এর চিকিত্সা এবং কিডনির কর্মক্ষমতা বজায় রাখার জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ?
    কিডনি ফেলিউরের আসল কারণ যেমন - মধুমেহ, উচ্চ রক্তচাপ, মুত্রনালির সংক্রমণ বা বাধা এবং গ্লোমেরুলোনেফ্রীটিস ইত্যাদির চিকিত্সা.
    উচ্চ রক্ত চাপের উপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ( BP ১৩০/৮০)
    প্রাথমিক অবস্থা থেকেই ACE ইনহিবিটর বা angiotensin II receptor blocker থেরাপির ব্যবহার করা যাতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং proteinurea কমতে থাকে.
    কিডনির কর্মক্ষমতা বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রোটিন গ্রহনের উপর নিয়ন্ত্রণ.
    কিডনি ফেলিউরের লক্ষণের জন্য পরিপূরক চিকিত্সা যেমন- ফোলাভাব কমানোর জন্য বা মুত্রের পরিমান বাড়ানোর জন্য ডাইইউরেটিক দ্বারা চিকিত্সা বা বামিভাবের চিকিত্সা.লিপিড কম করার চিকিত্সা বা আনিমিয়ার চিকিত্সা.
    লিপিড কম করার চিকিত্সা বা আনিমিয়ার চিকিত্সা.
    যন্ত্রনা নাশক ওষুধ (যেমন steroidal বা anti inlammatory drugs ) এবং কিছু প্রাকিতিক ওষুধ যাতে ধাতব পদার্থের পরিমান বা ক্ষতিকারক রাসায়নিক বেশি থাকে, সেগুলির থেকে দুরে থাকা দরকার. ধুমপান, তামাক এবং মদ্য পান না করা. ১ ভূমিকা, Page : 13

FAQ - পথ্য ক্রনিক কিডনি রোগ

FAQ - ডায়ালিসিস

  • ডায়ালিসিস কি ?
    যখন কিডনি কাজ বন্ধ করে দেই তখন ডায়ালিসিস হলো একটি কৃত্রিম পদ্ধতি যার সাহায্যে শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে নিস্কাশন করা হয়. এটি হলো একটি জীবনদায়ী পদ্ধতি কিডনি ফেলিউরের রোগীদের জন্য. দু ধরনের ডায়ালিসিস হয়- হিমোডায়ালিসিস এবং পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস. ১৩ ডায়ালিসিস, Page : 1
  • ক্রনিক কিডনি ডিসিজএর রোগীদের কখন ডায়ালিসিসএর দরকার হয় ?
    যখন কিডনির কর্মক্ষমতা ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ কমে যায় (এন্ড স্টেজ কিডনি ডিসিজ- ESKD), কিডনি শরীরের বর্জ্য পদার্থ নিকাশ করতে পারে না ফলে বমি-বমি ভাব, শ্বাসকষ্ট বা শরীর ফুলতে দেখা যায়. এমতাবস্থায় ডায়ালিসিসএর প্রয়োজন হয়. একজন ক্রনিক কিডনি ডিসিজএর রোগীর সিরাম ক্রিয়েটিনিন এর মাত্রা ৮ মি. গ্রা. প্রতি ডে. লি. বা তার বেশি হয় তখন ডায়ালিসিসএর প্রয়োজন হয়. ১৩ ডায়ালিসিস, Page : 2
  • সি. এ. পি. ডি. কি?
    কনটিনিউয়াস আমবুলেটরি পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস(সি. এ. পি. ডি.) হলো প্রচলিত চিকিত্সা প্রণালী ক্রনিক কিডনি ডিসিজএর রোগীদের জন্য. সি. এ. পি. ডি. রোগী বাড়িতে বিনা মেশিনের সাহায্যই করতে পারেন. যেহেতু সি. এ. পি. ডি স্বাছন্দ্য এবং স্বাধীনতা প্রদান করে সেজন্য এই প্রণালী উন্নত দেশগুলিতে খুব জনপ্রিয়. ১৩ ডায়ালিসিস, Page : 11
  • সি. এ. পি. ডি. কিভাবে করা হয় ?
    সি. এ. পি. ডি. তে একটি পাতলা নালী যাকে ক্যাথিটার বলা হয় টা তলপেটে প্রবেশ করানো হয়. এই ক্যাথিটার এর মধ্য দিয়ে ডায়ালিসিস সলুসেন তলপেটের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়. ডায়ালিসিস ফ্লুইড(ডায়ালাইজেট) পেরিটোনিয়াল কাভেটি তে বেশ কয়েক ঘন্টা থাকে(dwell time), ঠিক এই সময়েই রক্তের পরিশোধন হয়. এর পরে পি. ডি. ফ্লুইড, বর্জ্য পদার্থ এবং অতিরিক্ত ফ্লুইড ক্যাথিটার এর মাধ্যমে শরীরের বাইরে বের করে নেওয়া হয়. ১৩ ডায়ালিসিস, Page : 12

FAQ - কিডনি প্রতিস্থাপনের

  • কোন কোন ব্যক্তি কিডনি দান করতে পারেন ?
    সুস্থ্য দুটি কিডনি যুক্ত মানুষ এবং যদি ব্লাড গ্রুপ, টিসু টাইপ যদি মিলে যায় তাহলে সেই ব্যক্তি কিডনি দান করতে পারেন. কিডনি দাতার বয়স ১৮ থেকে ৬৫ এর মধ্যে হওয়া দরকার. পিতা মাতা বা সন্তান দের দান করা কিডনির প্রতিস্থাপন সবথেকে বেশি সফল হয়. যদি জীবিত কিডনি দাতা না পাওয়া যায় তাহলে মৃত ব্যক্তির কিডনির উপর নির্ভর করতে হয়.
    ১৪ কিডনি প্রতিস্থাপন, Page : 2

FAQ - মৃত কিডনি প্রতিস্থাপনের

  • মানসিক ভাবে মৃত (Brain Death) ব্যক্তি কে ?
    ব্রেন ডেথ হলো পুরোপুরি ভাবে মস্তিস্কের কর্ম ক্ষমতা বন্ধ হয়ে যাওয়া যা কোনো ওষুধে বা শল্য চিকিত্সা তে ঠিক হয় না. ব্রেন ডেথ হলো হসপিটালের ভেন্টিলেটর এর সাহায্যে বেঁচে থাকা জ্ঞানহীন রোগীদের উপর করা একটি নির্ণয়. ভেনটিলেটর সাপোর্ট সরিয়ে নিলে ব্রেন ডেথের রোগীদের স্বাস প্রশ্বাস বা হৃদ যন্ত্রের গতি তৎক্ষনাত বন্ধ হয়ে যায়. ১৪ কিডনি প্রতিস্থাপন, Page : 3

FAQ - ডায়াবেটিক কিডনীর

  • ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর নির্ণয় কিভাভে করা হয় ? কোন পরীক্ষা সর্বপ্রথম ইহা নির্ণয় করতে পারে ?
    প্রথম অবস্থায় ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর কোনো লক্ষণ দেখা যায় না, কেবলমাত্র ল্যাবরেটারি পরীক্ষা তেই ধরা পরে. ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর নির্ণয় এর দুটি প্রধান পরীক্ষা হলো মুত্রের প্রোটিনের পরীক্ষা এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিন এর পরীক্ষা (eGFR).ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর সর্বপ্রথম আদর্শ পরীক্ষা হলো মুত্রের মাইক্রআলবুমিন ইউরিয়ার পরীক্ষা. টাইপ -১ ডায়াবিটিস এর রোগীদের ডায়াবিটিস ধরা পরার প্রতি ৫ বছর পর থেকে এই পরীক্ষা প্রতি বছর একবার করে করানো দরকার. টাইপ-২ ডায়াবিটিস এর রোগীদের মুত্রের মাইক্রআলবুমিন ইউরিয়ার পরীক্ষা প্রথম বছর পর থেকে প্রতি বছর একবার করে করানো দরকার. মুত্রের মাইক্রআলবুমিন ইউরিয়ার পরীক্ষা যদি না করানো যায় তাহলে ডিপ স্টিক এর সাহায্যে মুত্রের আলবুমিন এর পরীক্ষা করানো যেতে পারে. এই পরীক্ষা খুবই সহজ এবং সহজ লভ্য. ১৫ ডায়াবিটিস এবং কিডনি, Page : 6
  • ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর প্রতিরোধ কিভাভে করা সম্ভব ?
    ডায়াবিটিক কিডনি ডিসিজ এর প্রতিরোধ করতে হলে:
    ১. নিয়মিত ডাক্তারবাবুকে দিয়ে পরীক্ষা.
    ২. ডায়াবিটিস এর উপর নিয়ন্ত্রণ. HbA1C লেভেল ৭ বা তার কম রাখা দরকার.
    ৩. রক্তচাপ ১৩০/৮০ এর নিচে থাকা দরকার.
    ৪. খাদ্যে নুন এবং চিনির পরিমান কম রাখা. বেশি প্রোটিন বা ফ্যাট যুক্ত খাবার না খাওয়া.
    ৫. প্রতি বছর একবার করে কিডনির পরীক্ষা করানো দরকার.
    ৬. নিয়মত শরীর চর্চা করা, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, মদ্য পান, তামাক সেবন বা যন্ত্রণা নাশক ওষুধ সেবন না করা. ১ ভূমিকা, Page : 6

FAQ - পলিসিসটিক কিডনি ডিসিজ

wikipedia
Indian Society of Nephrology
nkf
kidneyindia
magyar nephrological tarsasag